ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা ইনসাইড

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাংবাদিক দেবাশীষসহ ৫ জনের মরদেহ হস্তান্তর


প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাংবাদিক দেবাশীষসহ ৫ জনের মরদেহ হস্তান্তর
বেনাপোল সীমান্তে পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই দেশের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি ও বিএসএফের স্থানীয় শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় শূন্যরেখায় স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়া ও সাভারের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনেরা।

১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ আজ শনিবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত আনা হয়। তাঁরা হলেন আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম আলী এবং সাভারের জোবায়ের বাবু।

দেবাশীষ দত্তসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ গ্রহণ করেন তাঁর সহকর্মীরা। অন্যদিকে, জোবায়ের বাবুর মরদেহ নিতে আসেন তাঁর মেজো ভাই মনির হোসেন।

এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত দেওয়া হয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় ভারতে সৎকার করা হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয় : আগুন কলকাতা যশোর খুলনা বিভাগ কুষ্টিয়া

বাংলা ইনসাইড

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাংবাদিক দেবাশীষসহ ৫ জনের মরদেহ হস্তান্তর

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই দেশের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি ও বিএসএফের স্থানীয় শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় শূন্যরেখায় স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়া ও সাভারের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনেরা।

১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ আজ শনিবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত আনা হয়। তাঁরা হলেন আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম আলী এবং সাভারের জোবায়ের বাবু।

দেবাশীষ দত্তসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ গ্রহণ করেন তাঁর সহকর্মীরা। অন্যদিকে, জোবায়ের বাবুর মরদেহ নিতে আসেন তাঁর মেজো ভাই মনির হোসেন।

এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত দেওয়া হয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় ভারতে সৎকার করা হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


বাংলা ইনসাইড

সম্পাদনা: আনোয়ার সাদাৎ
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা ইনসাইড